Article Abstract Index3

শিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভারতীয় জ্ঞানতন্ত্রের সহাবস্থান কী প্রকারে সম্ভব?

Author: Baijayanta Bhattacharjee

DOI: https://doi.org/10.70798/tgjct/010300006

ভারতের নবীন শিক্ষানীতিতে যে দুটি ক্ষেত্রের প্রতি স্বতন্ত্রভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে দেখা যায়, সেগুলি হল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ভারতীয় জ্ঞানতন্ত্র। নীতিটি ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে শিক্ষার ভবিষ্যতের প্রত্যক্ষ অথবা প্রচ্ছন্নভাবে এই দুটিকেই অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ রয়েছে। তবে আপাতদৃষ্টিতে মনে হওয়া স্বাভাবিক যে এই দুটি ক্ষেত্র ইতিহাসের দুই ভিন্ন প্রান্তে অবস্থানকারী। গবেষণা প্রশ্ন উত্থাপিত হয়—কীভাবে একটি অতি প্রাচীন ঐতিহ্য এবং একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ একই শ্রেণিকক্ষে বর্তমান শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবস্তু এবং মানসিক সমস্যার সমাধানে সহায়ক হয়ে শিক্ষার অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে? এই গবেষণাপত্রে সেই লক্ষ্য স্থির করে পাঁচটি প্রাচীন ভারতীয় নীতিশাস্ত্রমূলক গ্রন্থের বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গ্রন্থগুলি হল বৃহস্পতিসূত্র, শুক্রনীতিসার, বিদুরনীতি, অর্থশাস্ত্র ও ভগবদ্গীতা। এই গ্রন্থগুলির নীতিনির্দেশ, বিশেষত আজকের দিনের শ্রেণিকক্ষে উপযোগী দিকগুলি, শিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীদের নৈতিক সমস্যাসমূহের কোনো রকম সমাধান করা যায় কি না—সে বিষয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। অতঃপর, এই গবেষণাপত্রে শিক্ষায় এই দুটি ক্ষেত্রের নীতিমূলক বিষয়ের সমন্বয় সুস্পষ্টভাবে করার উপায়, শিক্ষানীতির লক্ষ্য, অন্যান্য গবেষণালব্ধ ফলাফলের উদাহরণ এবং যুক্তির সাহায্যে অনুসন্ধান করা হয়েছে। উদ্দেশ্য হল শ্রেণিকক্ষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ফলে সমস্যার সৃষ্টি প্রতিরোধ করা, যাতে পরবর্তীকালে সংশোধনমূলক চিন্তা করতে না হয়। এই অনুসন্ধানের ফলে যে সকল তথ্য উদ্ভূত হয়েছে, সেগুলি গবেষণা জগতে প্রায় অনন্য এবং প্রাচীন ভারতীয় নীতিশাস্ত্রের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের নিরন্তর প্রাসঙ্গিকতা প্রকাশ করে। প্রধান শব্দসমূহ: আত্মবান, ধর্ম, নীতিমূলক, উদ্বেগ, শিক্ষানীতি (২০২০), বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ।