সংস্কৃত অলংকার সাহিত্যে কাব্যের শ্রেণীবিভাগ: আনন্দবর্ধন, মম্মট ও জগন্নাথের দৃষ্টিভঙ্গির তুলনামূলক প্রতিফলন
Author: Mallika Biswas
DOI: https://doi.org/10.70798/tgjct/010400024
সংস্কৃত অলংকার শাস্ত্রের ইতিহাস কাব্যতত্ত্ব একটি বহুল আলোচিত বিষয়। কাব্যের স্বরূপ ও শ্রেণীবিভাগ নিয়ে নানারকম মতভেদ পাওয়া যায় যা চিরন্তন কৌতূহলের বিষয়। কালক্রমে বিভিন্ন আচার্যগণ নিজস্ব তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে কাব্যের শ্রেণীবিভাগ করেছেন। বর্তমানে সেই কাব্যের শ্রেণীবিভাগ নিয়ে কাব্যজগতের তিন স্তম্ভ ধ্বনিকর আনন্দবর্ধন, সমন্বয়বাদী আচার্য মম্মট ভট্ট এবং রসবাদী পণ্ডিতরাজ জগন্নাথের দৃষ্টিভঙ্গির একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ আলোচিত হয়েছে। আনন্দবর্ধন ‘ধ্বন্যালোক’ গ্রন্থে ধ্বনির প্রতিষ্ঠাস্বরূপ ব্যঞ্জনার ভিত্তিতে কাব্যকে দুই ভাগে ভাগ করেন (ধ্বনিকাব্য ও গুণীভূতব্যঙ্গ্যকাব্য) এবং ঘোষণা করেন ধ্বনিই কাব্যের আত্মা, তদব্যতীত কাব্য পদার্থ হতে পারে না। পরবর্তীকালে একাদশ শতকে মম্মট ভট্ট ধ্বনিকে সমর্থন করেন এবং কাব্যের পূর্বকৃত ভেদ দুটিকে অগ্রে রেখে গুণ ও অলংকারের চমৎকারিত্বকে প্রাধান্য দিয়ে চিত্রকাব্যকে কাব্যের তৃতীয় বিভাগে স্থান দেন। এই সিদ্ধান্তই তাঁর মৌলিকতার পরিচয় বহন করে। সপ্তদশ শতকে পণ্ডিতরাজ জগন্নাথ রসের আদলে ‘রমণীয়তা’র ধারণা প্রবর্তন করেন। তাঁর মৌলিক সংযোজন হলো উত্তমোত্তম কাব্য এবং তিনি অর্থচিত্র ও শব্দচিত্রের পৃথকীকরণ করেন। এখানে গবেষণার মাধ্যমে উপস্থাপিত হলো যে বহুযুগের পুরাতন তাত্ত্বিক শব্দগুলি পাঠকসমাজে প্রাসঙ্গিক এবং তা কাব্যসৌন্দর্যের ভার সমানভাবে বহন করে।
Keywords: কাব্যात्मা নির্ণয়, ধ্বনিকাব্য, রমণীয়তা, কাব্যপ্রকাশ, কাব্যের তুলনামূলক মতভেদ
Keywords: কাব্যात्मা নির্ণয়, ধ্বনিকাব্য, রমণীয়তা, কাব্যপ্রকাশ, কাব্যের তুলনামূলক মতভেদ

