Article Abstract index4

মহাকবি কালিদাসস্য ‘মেঘদূত’ কাব্যে বিপ্রলম্ভ-শৃঙ্গারস্য কালাত্মক-বিশ্লেষণम्

Author: Tushi Dalai

DOI: DOI: https://doi.org/10.70798/tgjct/010400058

সংস্কৃত সাহিত্যমাঝে সুপ্রতিষ্ঠিত মহাকবি হলেন মহাকবি কালিদাস। তাঁর রচনাকৌশলে নানা বর্ণ, নানা গন্ধে বিলসিত কুসুমসজ্জায় সংস্কৃত সাহিত্যকানন সুসজ্জিত। দেশ ও কালের সীমা অতিক্রম করে তাঁর কাব্যকৃতি বিশ্বসাহিত্যের দরবারে শাশ্বত প্রতিষ্ঠা অর্জন করেছে। কালিদাসের কাব্যে প্রকৃতির চিত্রণ অত্যন্ত জীবন্ত ও কাব্যময়। তিনি প্রকৃতিকে মানবমনের প্রতিচ্ছবি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তাঁর রচনায় প্রকৃতি, প্রেম, মানবিক অনুভূতি ও রসতত্ত্বের অপূর্ব সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়। এর পাশাপাশি কাল বা সময় তাঁর রচনায় গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ধরা দিয়েছে—যা রস সৃষ্টিকে গভীরতা প্রদান করেছে। শৃঙ্গার রসে সৃষ্ট এমনই এক অনন্য নিদর্শন হল কালিদাসের অমর সৃষ্টি ‘মেঘদূতম্’ কাব্য। এই কাব্যে বিপ্রলম্ভ শৃঙ্গারের অর্থাৎ বিরহঘন প্রেমের গভীর ও হৃদয়স্পর্শী রূপ প্রকাশ পেয়েছে। প্রেমিক-প্রেমিকার বিচ্ছেদকে কেন্দ্র করে যে আবেগ সৃষ্টি হয়, তা মূলত সময়ের মধ্য দিয়েই অনুভূত হয়। ‘মেঘদূতম্’ কাব্যে লক্ষ্য করা যায় যে, যক্ষের বিরহঘন মানসিক অবস্থার সঙ্গে সময়ের অনুভূতি নিবিড়ভাবে যুক্ত। এই গবেষণাধর্মী লেখায় মূলত কাব্যের মূল রস বিপ্রলম্ভ শৃঙ্গারকে কেন্দ্র করে কালাত্মক দিক বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়েছে, এই কাব্যের নান্দনিকতা কেবল বিরহচিত্রণে নয়, বরং সময়ের গভীর নৈর্ব্যক্তিক রূপায়ণের মধ্যেই অধিকতর উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।
Keywords: মেঘদূতম্ কাব্য, বিপ্রলম্ভ শৃঙ্গার, কালাত্মকতা, নৈর্ব্যক্তিক সময়, সংস্কৃত কাব্যতত্ত্ব, রসতত্ত্ব।